ঢাকা    শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
জিরো নিউজ

ফেসবুকে জ্বালানি তেলের সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতেই জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলায় পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল কেনার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজশাহীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভিড় করেন যানবাহন চালকরা। সন্ধ্যার পর থেকে চাপ বাড়লেও দিবাগত রাত ১২টার দিকে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। রাজশাহী নগরের তালাইমারী এলাকার নয়ান ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি। স্টেশনটির দায়িত্বে থাকা হাসান হাবিব জানান, রাত আটটার পর হঠাৎ করেই তেল সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়লে ক্রেতাদের চাপ বেড়ে যায়। তিনি বলেন, ডিপো থেকে নিয়মিত তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। তবে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে আপাতত একজন গ্রাহককে ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ সময়ে তাদের স্টেশনে আসা প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ লিটার তেল সাত থেকে আট দিনে বিক্রি হলেও এবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই পরিমাণ তেল শেষ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলচালক মাশরাফি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সংকটের খবর শুনেই তিনি আগাম তেল সংগ্রহ করতে এসেছেন। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদ। তিনি বলেন, পরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়াতেই রাতে তেল নিতে এসেছেন। এদিকে, রাজশাহী পেট্রলপাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, গত দুই দিন ধরে ডিপো থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারের সংরক্ষিত মজুত ঠিক রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তবে এটিকে কোনোভাবেই জ্বালানি সংকট বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজশাহী পদ্মা অয়েল ডিপোর ইনচার্জ মো. ফজলে ইলাহী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কারণে মানুষ একসঙ্গে তেল কিনতে ছুটছেন। বাস্তবে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজভর্তি জ্বালানি তেল রয়েছে এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক আছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার রাতেই রাজশাহী জেলা প্রশাসন জরুরি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে জানানো হয়, জেলায় পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত তেল কেনা কিংবা মজুত না করার আহ্বান জানানো হয়। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বা মজুতদারির মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

২২ জুলাই ২০২৬ পড়ুন

ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান গত ১৬ জুলাই রিটটি দায়ের করেন। আজ বুধবার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী ফেরদাউসুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনে স্নাতক পাস করে বিজিএসসি পরীক্ষা দিতে হয়। তারপরে তিনি বিচার করতে পারেন। অথচ গ্রাম আদালত আইনে একজন চেয়ারম্যান তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিচার করতে পারেন। একজন অশিক্ষিত চেয়ারম্যান কীভাবে একজনের বিচার করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ ধারা অনুসারে একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কোনো প্রকার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই। যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ২৭, ২৮, ৫৯, ৬০ এর পরিপন্থী। সেই সঙ্গে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০২৪) এ একজন চেয়ারম্যানের বিচারিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান গত ১৬ জুলাই রিটটি দায়ের করেন। আজ বুধবার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী ফেরদাউসুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনে স্নাতক পাস করে বিজিএসসি পরীক্ষা দিতে হয়। তারপরে তিনি বিচার করতে পারেন। অথচ গ্রাম আদালত আইনে একজন চেয়ারম্যান তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিচার করতে পারেন। একজন অশিক্ষিত চেয়ারম্যান কীভাবে একজনের বিচার করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ ধারা অনুসারে একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কোনো প্রকার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই। যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ২৭, ২৮, ৫৯, ৬০ এর পরিপন্থী। সেই সঙ্গে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০২৪) এ একজন চেয়ারম্যানের বিচারিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

গাজী নজরুলের পদত্যাগ দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

গাজী নজরুলের পদত্যাগ দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। সংসদ সদস্য পদ থেকে তার পদত্যাগের দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো শ্যামনগরে আজ রোববার বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বাবলাতলা মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন সেখানে উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতা। স্থানীয় ঠিকাদার মো. শামসুদ্দোহা টুটুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন হাফেজ মাও. মফিজুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, আব্দুস সালাম, মফিজুল ইসলাম, মো. রাসেল হোসেন প্রমুখ। গত সোমবার রাতে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। তবে পরদিন গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে নানা বিতর্ক ও নির্বাচনী এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলার মধ্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জরুরি সভায় বসে গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তার এমপি পদ বাতিল চেয়ে সংসদ ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠায় জামায়াত ইসলামী।

২৬ জুলাই ২০২৬
ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাইকোর্টের রুল

ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান গত ১৬ জুলাই রিটটি দায়ের করেন। আজ বুধবার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী ফেরদাউসুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনে স্নাতক পাস করে বিজিএসসি পরীক্ষা দিতে হয়। তারপরে তিনি বিচার করতে পারেন। অথচ গ্রাম আদালত আইনে একজন চেয়ারম্যান তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিচার করতে পারেন। একজন অশিক্ষিত চেয়ারম্যান কীভাবে একজনের বিচার করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ ধারা অনুসারে একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কোনো প্রকার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই। যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ২৭, ২৮, ৫৯, ৬০ এর পরিপন্থী। সেই সঙ্গে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০২৪) এ একজন চেয়ারম্যানের বিচারিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

২২ জুলাই ২০২৬

তেল সংকট গুজব, রাজশাহীর পাম্পে মধ্যরাতে দীর্ঘ লাইন

ফেসবুকে জ্বালানি তেলের সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতেই জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলায় পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল কেনার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজশাহীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভিড় করেন যানবাহন চালকরা। সন্ধ্যার পর থেকে চাপ বাড়লেও দিবাগত রাত ১২টার দিকে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। রাজশাহী নগরের তালাইমারী এলাকার নয়ান ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি। স্টেশনটির দায়িত্বে থাকা হাসান হাবিব জানান, রাত আটটার পর হঠাৎ করেই তেল সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়লে ক্রেতাদের চাপ বেড়ে যায়। তিনি বলেন, ডিপো থেকে নিয়মিত তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। তবে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে আপাতত একজন গ্রাহককে ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ সময়ে তাদের স্টেশনে আসা প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ লিটার তেল সাত থেকে আট দিনে বিক্রি হলেও এবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই পরিমাণ তেল শেষ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলচালক মাশরাফি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সংকটের খবর শুনেই তিনি আগাম তেল সংগ্রহ করতে এসেছেন। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদ। তিনি বলেন, পরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়াতেই রাতে তেল নিতে এসেছেন। এদিকে, রাজশাহী পেট্রলপাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, গত দুই দিন ধরে ডিপো থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারের সংরক্ষিত মজুত ঠিক রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তবে এটিকে কোনোভাবেই জ্বালানি সংকট বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজশাহী পদ্মা অয়েল ডিপোর ইনচার্জ মো. ফজলে ইলাহী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কারণে মানুষ একসঙ্গে তেল কিনতে ছুটছেন। বাস্তবে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজভর্তি জ্বালানি তেল রয়েছে এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক আছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার রাতেই রাজশাহী জেলা প্রশাসন জরুরি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে জানানো হয়, জেলায় পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত তেল কেনা কিংবা মজুত না করার আহ্বান জানানো হয়। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বা মজুতদারির মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

২২ জুলাই ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

জেলার খবর

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !