ঢাকা    বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
জিরো নিউজ

জাতীয়

গাজী নজরুলের পদত্যাগ দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

গাজী নজরুলের পদত্যাগ দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। সংসদ সদস্য পদ থেকে তার পদত্যাগের দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো শ্যামনগরে আজ রোববার বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বাবলাতলা মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন সেখানে উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতা। স্থানীয় ঠিকাদার মো. শামসুদ্দোহা টুটুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন হাফেজ মাও. মফিজুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, আব্দুস সালাম, মফিজুল ইসলাম, মো. রাসেল হোসেন প্রমুখ। গত সোমবার রাতে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। তবে পরদিন গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে নানা বিতর্ক ও নির্বাচনী এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলার মধ্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জরুরি সভায় বসে গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তার এমপি পদ বাতিল চেয়ে সংসদ ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠায় জামায়াত ইসলামী।

ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান গত ১৬ জুলাই রিটটি দায়ের করেন। আজ বুধবার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী ফেরদাউসুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনে স্নাতক পাস করে বিজিএসসি পরীক্ষা দিতে হয়। তারপরে তিনি বিচার করতে পারেন। অথচ গ্রাম আদালত আইনে একজন চেয়ারম্যান তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিচার করতে পারেন। একজন অশিক্ষিত চেয়ারম্যান কীভাবে একজনের বিচার করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ ধারা অনুসারে একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কোনো প্রকার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই। যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ২৭, ২৮, ৫৯, ৬০ এর পরিপন্থী। সেই সঙ্গে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০২৪) এ একজন চেয়ারম্যানের বিচারিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাইকোর্টের রুল